আন্তর্জাতিক একজন আলেমের দৃষ্টিতে আল্লামা আনোয়ার শাহ রহ.

৩১ জানুয়ারি ২০২০, ২০:৪৯
অনুসন্ধান ডেস্ক

২০০৯ সালে লিবিয়ায় সফরে ছিলাম৷ দাঈ ও গবেষক মাওলানা ডক্টর শামসুল হক সিদ্দিকের সঙ্গে৷ ত্রিপলি থেকে বিন গাজিতে উড়োজাহাযে৷ বিমানবন্দর থেকে প্রায় নব্বইটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাবুতে৷ একটি মুগ্ধকর দুপুর৷

সেই তাবুতে সাংবাদিক হিসেবে সাক্ষাৎকার নিলাম মাসিক আল হক (উর্দু) এর সম্পাদক মাওলানা সামিউল হকের৷ তিনি শহীদ হয়েছেন কিছুদিন আগে আততায়ীদের হামলায়৷ রহমাতুল্লাহি আলাইহি৷

মুসলিম উম্মাহর সংকট ও উত্তরণের পথ এবং নানা প্রসঙ্গে আল হক সম্পাদকের সঙ্গে কথা হলো৷ আমার কাছে আল হকের একটি পুরনো সংখ্যার ভলিয়ম ছিলো৷ আখোরাখটক থেকে প্রকাশিত আল হকের পুরনো পাঠক আমি৷ সম্পাদকের সঙ্গে দেখা হওয়ায় আমি পাঠক হিসেবেও নানা কথা জানতে চাইলাম৷ তিনি আমাকে স্নেহের পরশে অনেক কথা বললেন৷

পাকিস্থান আমলে পূর্বপাকিস্থানের স্মৃতির কথা বললেন৷ আমি পরিচয়ে ময়মনসিংহ শহরে বসবাস করি জেনে আমার দিকে নতুন করে আগ্রহী হয়ে তাকালেন। বললেন, আমি কিশোরগঞ্জে সফর করেছি৷ সেসব দিনের স্মৃতির কথা মনে পড়ে! মাওলানা আতহার আলী রহ, মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ, মাওলানা মুহিউদ্দীন খান আরও কত নাম মনে পড়ে আমার৷ আমাকে বললেন, আপনি চিনেন তাদেরকে? আমার প্রিয় দীনি ব্যক্তিত্ব এই তিন জন৷ 

মাসিক মদীনা সম্পাদককে শিকড় সংবর্ধনা দিয়েছিলো ২০০৯ সালে৷ আমি লেখালেখি করি সাপ্তাহিক মুসলিম জাহানে এটি মদীনা পরিবারের সাপ্তাহিক পত্রিকা৷ লেখালেখি করি জেনে তিনি আমাকে কিছু দিকনির্দেশনা দিলেন৷ তাবু থেকে বিকেলে বিনগাজি স্টিডিয়ামে আমাদের প্রোগ্রাম৷ তাবু থেকে বিশেষ গাড়ি অতিথিদের জন্য৷ আমি পাশের সিটেই বসলাম আরেকটু সান্নিধ্য কথা বলে বলে পথ চলার জন্য৷

তিনি বললেন, দেশে ফেরার পর মাওলানা মহিউদ্দীন খান ও মাওলানা আনোয়ার শাহ'র সঙ্গে দেখা হলে আমার সালাম দিবেন৷ 

বললেন, এই দুইজন উন্নত চিন্তার এবং মুসলিম জাহানে বড় আলেম৷

আমি দেশে ফিরে মদীনা ভবনে মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ. এবং মাওলানা আনোয়ার শাহ রহ. এর কাছে মুসলিম বিশ্বে বিপ্লবী আলেম মাওলানা সামিউল হকের সালাম পৌঁছে দিলাম৷ তাঁরাও স্মৃতিচারণ করলেন তাঁর সঙ্গের৷

মন্তব্য লিখুন :