রাণীনগর সদর ইউনিয়নের হাল ধরতে চান যুব নেতা জাকির

২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১৩:০৮
আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ

সারা দেশে শুরু হয়েছে পৌর নির্বাচন। পৌর নির্বাচনের পরই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ডামাডোল বাজতে শুরু করবে। ২০২১সালের প্রথম দিকেই ধারাবাহিক অনুষ্ঠিত হবে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের নির্বাচন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ইতিমধ্যেই আগাম জনমত সৃষ্টিতে জানান দিচ্ছেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থীরা। ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছাসহ সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী প্রার্থীদের রঙ্গিণ পোস্টারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকার অলিগলি। 

রাণীনগর উপজেলা ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে গঠিত। এরমধ্যে ১নং খট্টেশ্বর রাণীনগর ইউনিয়ন পরিষদ অধিক জনগুরুত্বপূর্ণ। এই ইউনিয়নের হাল ধরতে চান নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলালের আস্থাভাজন উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন জয়।  

জাকির দলের একজন নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত। প্রতিটি নির্বাচনে জাকির দলের হয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গণসংযোগ, পথ সভা, মিটিং ও সিটিং করেছেন। পাশাপাশি তিনি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌছে দিচ্ছেন প্রতিটি সাধারণ মানুষদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে। দলের প্রতি আনুগত্য, বিশ্বস্ততা এবং জনসেবার কারণে আওয়ামী লীগ থেকে তাকেই সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয়া হবে বলে ইউনিয়নের তরুণ সমাজ আশাবাদী। কারণ যুব সমাজকে নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে জাকিরের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছে স্থানীয় সচেতন মহল। 


জাকির হোসেন জয় বলেন, আওয়ামী পরিবারে আমার জন্ম। আমার বাবাকে দেখেছি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই ইউনিয়নের একজন সদস্য হিসেবে কাজ করতে। সবকিছুতেই এখন পরিবর্তনের ঢেউ লেগেছে। রাজনীতি ও সমাজ সেবায় বর্তমানে যুব সমাজের ভূমিকা অনস্বীকার্য। যুবশক্তিই পারে বাংলাদেশকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সোনার ডিজিটাল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে। কবি বলেছেন যৌবন যার এখন যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়। আমি রাজনীতি করতে এসে নেতাদের অন্যায় আবদার পূরণ, চাঁদাবাজী ও দখলবাজীসহ অন্যান্য অন্যায় কাজ না করার কারণে মিথ্যে ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বার বার জেলে যেতে হয়েছে। পরিবার-পরিজন ছেড়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছে। তবুও আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতিকে বুকে ধারন করে সবকিছু মুখবুঝে সহ্য করেছি। 

তিনি বলেন, আমি দলমত নির্বিশেষে সকল বিভেদ ভুলে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারায় সবাইকে সম্পৃক্ত করে এই ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি যদি চেয়ারম্যান হিসেবে এই ইউনিয়নের দায়িত্ব পাই তাহলে প্রথমেই জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার প্রতিটি গ্রামকে শহরের সুবিধা প্রদান করতে চেষ্টা করবো। সকল ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করবো। প্রতিটি ওয়ার্ডে থাকবে অভিযোগ বাক্স। যেখানে এলাকাবাসী তাদের দুঃখ ও দুর্দশাসহ বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরবেন। ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হবে আমার প্রথম পদক্ষেপ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১সালের ভিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দলের একজন সামান্য সেবক হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এই ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার সুযোগ করে দেবেন বলে আমি শতভাগ আশাবাদী।

মন্তব্য লিখুন :